বাংলাদেশ চা বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৯ মার্চ ২০২১

সাম্প্রতিক সাফল্যসমূহ

  • ৪ জুন ‘জাতীয় চা দিবস’ ঘোষণা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ জুন ১৯৫৭ খ্রি. হতে ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ খ্রি. পর্যন্ত প্রথম বাঙালি হিসেবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন কালে ঢাকার মতিঝিলে সরকারের বরাদ্দকৃত জমিতে চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় স্থাপন কাজ ত্বরান্বিতকরণ, চা শিল্পের সম্প্রসারণ, গবেষণা ও শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রাখেন। এছাড়াও স্বাধীনতা পরবর্তী যুদ্ধবিধ্বস্ত চা বাগান পুনর্গঠন, বাগান মালিকদের ভর্তুকি প্রদান এবং টি রিসার্স স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিটিআরআই) উন্নীতকরণের কাজটিও তিনি সম্পন্ন করেন। তাঁর এ যুগান্তকারী অবদানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য বিগত ২০ জুলাই ২০২০ খ্রি. তারিখ মন্ত্রিসভার বৈঠকে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ ৪ জুনকে প্রতি বছর “জাতীয় চা দিবস” হিসেবে পালনের অনুমোদন দেয়া হয়।
  • ২০২০ খ্রিস্টাব্দে ৮৬.৩৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন।
  • ২০২০ খ্রিস্টাব্দে ২.১৭ মিলিয়ন কেজি চা রপ্তানি।
  • ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রেকর্ড পরিমাণ ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন। যেখানে ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে চায়ের উৎপাদন ছিল ৫৯.৯৯ মিলিয়ন কেজি।
  • ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো “টি এক্সপো-২০১৭” আয়োজন এবং ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় বারের মতো “টি এক্সপো-২০১৮” আয়োজন ও সফলভাবে সমাপ্তকরণ।
  • বাংলাদেশ চা শিল্পের উন্নয়নের জন্য ১১ টি কর্ম কৌশল অন্তর্ভুক্ত করে “উন্নয়নের পথনকশা: বাংলাদেশ চা শিল্প” তৈরি করা হয়; যা ৩১ জানুয়ারি, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ কর্তৃক অনুমোদিত হয়। অনুমোদনের পর গত পাঁচ (০৫) বছরে “উন্নয়নের পথনকশা: বাংলাদেশ চা শিল্প” এর কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে।
  • বান্দরবান, লালমনিরহাট এবং পঞ্চগড় জেলায় চা আবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তিনটি প্রকল্প চলমান রয়েছে।
  • বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) কর্তৃক উচ্চ ফলনশীল ২১টি ক্লোন এবং একটি বাই- ক্লোনেল বীজ উদ্ভাবন।
  • বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) কর্তৃক সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা, জৈব সার এবং ভার্মি কম্পোস্ট উদ্ভাবন।
  • বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এ দেশের সর্বপ্রথম স্বয়ংক্রিয় “গ্রিন টি কারখানা” স্থাপন।
  • চা গবেষণায় উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এবং চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, চাইনিজ একাডেমি অফ অ্যাগ্রিকালচারাল সায়েন্সেস (টিআরআই, সিএএএস) এর মধ্যে ০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে “সমঝোতা স্মারক” স্বাক্ষর।
  • “চা সেবা” এবং “দুটি পাতা একটি কুড়ি” নামে দুটি মোবাইল অ্যাপ চালু।
  • প্রতি ২৩ কেজি কাঁচা চা পাতা উত্তোলনের জন্য চা শ্রমিকদের মজুরি ১২০/- টাকা নির্ধারণ। এর কম/বেশি উত্তোলন করলে উক্ত হারে মজুরি নির্ধারণ।
  • “বাংলাদেশ চা” প্রচারের জন্য চারটি (০৪) প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন; এবং “বাংলাদেশ চা” নামে একটি বিশ্বমানের চা ব্র্যান্ড তৈরি করার পাশাপাশি আকর্ষণীয় প্যাকেজসহ উপস্থাপন।
  • ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু।
  • ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে প্রায় ১,৫৬,৩২২.২৮ একর জমিতে চা আবাদ করা হয়।
  • ২০২০ খ্রিস্টাব্দে দেশের উত্তরবঙ্গে রেকর্ড পরিমাণ ১০.৩০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন।
  • অনলাইনে চা লাইসেন্স আবেদন গ্রহণ এবং লাইসেন্স প্রদানের লক্ষ্যে ‘অনালাইন টি লাইসেন্স সিস্টেম’ চালুকরণ।
  • পঞ্চগড়ে এ পর্যন্ত ৩২ টি বটলীফ চা কারখানা স্থাপনের অনুমতি প্রদান।
  • ক্ষুদ্র চা চাষীদের হাতে কলমে চা চাষ বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক “ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুল” চালু।

Share with :

Facebook Facebook